AKM Shihab

silentism is a crime

The world is a nightmare. Half of humanity lives and dies on less than 3 dollars a day. There are more people in South Asia making 80 cents a day than even exist in the United States.. 22,000 children die due to poverty each and every day. Approximately 800 million people in the poorest country world are chronically undernourished.

Bangladesh: Need total Social change!

Under the statist and capitalist system In Bangladesh, feudalism, capitalism, and imperialism all merge into one tyrannical, barbaric system. What exists in Bangladesh is an amalgam of modern and feudal exploitation and control.

Climate change: Bangladesh at risk!

Bangladesh, for example, will face increasing water levels and natural disasters like cyclones that it is unprepared to deal with. According to one estimate, by 2020, Bangladesh will face a 50 percent reduction in rain-fed agriculture. South Asia, by 2020, will face an estimated 10 percent drop in staple crops like rice and maize. Countries like Pakistan could face 50 percent reduction in these staples by 2020. The impact on food security in Bangladesh and other countries will be catastrophic if estimates hold.

Socio-Economic condition of Bangladesh!

The proletariat had nothing to lose but their chains. That was speaking figuratively. By the time Europe had mostly abolished slavery, at least officially. It was said to the wage slavery of the free laborer, who nonetheless suffered intense poverty in the Europe of the past just as free laborers suffer today in the Third World. In our land, our people suffer not just from “wage slavery” of the free laborer, but also slavery in its most vicious and barbaric form still exists even though it is now the twenty-first century. And it is only getting worse with the globalization of capitalism. Slavery, human trafficking, in Bangladesh is now tightly bound to the global market.

এনার্কো-সিন্ডিক্যালিজমঃ তত্ত্ব ও প্রয়োগ

এনার্কিজম বা নিরাজবাদ মানব সমস্যার সমাধানের জন্য কোন চিরন্তন বানী নয়, এটা আবার কোন কল্পনা প্রসূত মতবাদ ও নয়, এই মতবাদ যেকোন চিরন্তন বানী বা মতবাদ বিরুধী। এটা কোন চিরন্তন সত্যে বিশ্বাসী নয়, বা মানবজাতির চূড়ান্ত মতবাদ হিসাবে ও দাবী করে না ।

গ্রন্থঃ এনার্কো-সিন্ডিক্যালিজমঃ তত্ত্ব ও প্রয়োগ

কার্ল মার্ক্স একটি নয়া ব্যবস্থার কথা বলেছিলেন, তিনি প্রলেতারিয়েতদের একনাকত্বের ধারানার প্রবর্তনের প্রস্তাব দেন, তিনি বলেছিলেন, একটি শ্রেনীহীন সমাজ বিনির্মানের জন্য এটা হবে একটি অন্তর্বতীকালিন ব্যবস্থা। তিনি আরো প্রস্তাব করেন, শ্রেনীর দ্বন্দ্ব, শ্রেনী স্বার্থ যখন থাকবে না তখন রাষ্ট্র আপনা আপনিই বিলয় হয়ে যাবে। এই ধরনের ধারনা সামগ্রীক ভাবে ছিলো ভূলে ভরা, ঐতিহাসিক ভাবে রাষ্ট্রের যে ধর্ম, ধরন বা প্রকৃতি যেখানে সর্বদা বিরাজ করে রাজনৈতিক ক্ষমতার চর্চা।

এনার্কিজম বা নিরাজবাদঃ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য, (দ্বিতীয় কিস্তি)

ক্রপতকিন দেখিয়ে দেন যে, প্রকৃতির জগতে যেমন একটি অনিশ্চিত লড়াই সংগ্রাম চলে, বাস্তবের জগতেও সেই সংগ্রামই অব্যাহত আছে, সেখানেও চলছে ঠিকে থাকার এক প্রকারের নির্দয়, নিস্টুর সংগ্রাম। সেই লড়াই ও মরন পন লড়াই, সেখানে ও প্রকৃতিক বিধানের ন্যায় চলছে দূর্বলের উপর সবলের প্রধান্য বজায় রাখার এক নিরন্থর যুদ্ব। সামাজিক বিবর্তন এবং সামাজিক সম্মিলিত সহায়তার মাধ্যমেই মানব সমাজ এখনো ঠিকে আছে।

এনার্কো-সিন্ডিক্যালিজমঃ তত্ত্ব ও প্রয়োগ (প্রথম কিস্তি)

এনার্কিজম বা নিরাজবাদ হলো আমাদের সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ন বুদ্বিবৃত্তিক রাজনৈতিক চিন্তার শ্রুতধারা, যা তাঁর অনুসারীদের মধ্যে অর্থনৈতিক একচাটিয়াবাদ, রাজনৈতিক এবং সামাজিক নিপিড়ন মূলক প্রতিস্টানের বিলয় ঘটিয়ে দিতে চায়। পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তে একটি ‘মুক্তসমিতির ফেডারেশনের’ মাধ্যমে সকল প্রকার উৎপাদন পদ্বতি পরিচালনা করবে, যার লক্ষ্যই হবে সমাজের প্রতিটি সদস্যের চাহিদা মেটানো, তা কোন ভাবেই প্রচলিত সমাজের স্বল্প সংখ্যক মানুষের সুবিধা ভোগ ও নিয়ন্ত্রন চলতে দিবে না।

রুডলফ রকারের অ্যানার্কো-সিন্ডিক্যালিজম বইয়ের ভূমিকায় – নিকুলাস ওয়াল্টার

রকের লিখিত বই গুলোর মধ্যে এনার্কো-সিন্ডিক্যালিজম বইটি পাঠক মহলে সব চেয়ে বেশী সমাদৃত হয়েছে। এই বইটি যে পটভূমিতে রচিত হয়েছিলো তা হলো স্পেনের গৃহ যুদ্ব, যা ১৯৩৬ সালে ছড়িয়ে পড়ে এবং এনার্কো-সিন্ডিক্যালিজমের উন্মেষ ঘটায় এবং রাজনৈতিক মঞ্চে প্রথম বারের মত প্রথম বিশ্বযুদ্ব ও রাশিয়ার বিপ্লবের পর এটাই ছিলো মানুষের সামনে এক মাত্র আলোক বর্তিকা। ১৯৩৬ সালে ফ্রেডারিক ওয়ারবার্গ সেই সময়ে প্রকাশনার ব্যবসায়ে মার্টিন সিকার কে নিয়ে নয়া কোম্পানী গঠন করেন যার নামকরন করা হয় সিকার এন্ড ওয়ারবার্গ, এটা ছিলো তখন লন্ডনের একটি উল্লেখ যোগ্য প্রকাশনা প্রতিস্টান ।

১লা মে, ২০১৮ এর ডাকঃ- ‘শাসনকর্তৃত্ব লাভ করা নয়, আমাদের সংগ্রাম শাসন কর্তৃত্ববাদের উচ্ছেদ’ !

ফরাসি সিন্ডিক্যাট বা মজুর ইউনিয়ন থেকে সিন্ডিক্যালিজম কথাটির উৎপত্তি হয়েছে। নিরাজবাদের নয়া ভিত্তি হলো শ্রমিক ইউনিয়ন এবং কর্ম পন্থা হলো শ্রমিক সংগ্রাম। এই ইউনিয়ন কেবল লড়াইয়ের হাতিয়ার নয়, ইউনিয়ন হবে ভবিষ্যৎ সমাজের কাঠামো। ‘মিউচুয়াল এইডে’র উপর ভিত্তিকরে ইউনিউন গুলি পারস্পার চুক্তি করবে, মাঠে, খনিতে, ক্ষেতে, খামারে তাঁরা উৎপাদনের কাজ পরিচালনা করবেন, ধনতান্ত্রিক রাস্ট্রকে সরিয়ে আনবে শ্রমতান্ত্রিক সমাজ। ‘যারা পরিশ্রম করবে না, সমাজে যাদের কোন কাজ নেই, সমাজে তাঁদের কোন জায়গা নেই, শ্রমতান্ত্রিক সমাজে তাঁদের জায়গা হবে না।