Bangladesh Anarcho-Syndicalist Federation

এনার্কিজম বা নিরাজবাদঃ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য, (দ্বিতীয় কিস্তি)

ক্রপতকিন দেখিয়ে দেন যে, প্রকৃতির জগতে যেমন একটি অনিশ্চিত লড়াই সংগ্রাম চলে, বাস্তবের জগতেও সেই সংগ্রামই অব্যাহত আছে, সেখানেও চলছে ঠিকে থাকার এক প্রকারের নির্দয়, নিস্টুর সংগ্রাম। সেই লড়াই ও মরন পন লড়াই, সেখানে ও প্রকৃতিক বিধানের ন্যায় চলছে দূর্বলের উপর সবলের প্রধান্য বজায় রাখার এক নিরন্থর যুদ্ব। সামাজিক বিবর্তন এবং সামাজিক সম্মিলিত সহায়তার মাধ্যমেই মানব সমাজ এখনো ঠিকে আছে।

এনার্কো-সিন্ডিক্যালিজমঃ তত্ত্ব ও প্রয়োগ (প্রথম কিস্তি)

এনার্কিজম বা নিরাজবাদ হলো আমাদের সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ন বুদ্বিবৃত্তিক রাজনৈতিক চিন্তার শ্রুতধারা, যা তাঁর অনুসারীদের মধ্যে অর্থনৈতিক একচাটিয়াবাদ, রাজনৈতিক এবং সামাজিক নিপিড়ন মূলক প্রতিস্টানের বিলয় ঘটিয়ে দিতে চায়। পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তে একটি ‘মুক্তসমিতির ফেডারেশনের’ মাধ্যমে সকল প্রকার উৎপাদন পদ্বতি পরিচালনা করবে, যার লক্ষ্যই হবে সমাজের প্রতিটি সদস্যের চাহিদা মেটানো, তা কোন ভাবেই প্রচলিত সমাজের স্বল্প সংখ্যক মানুষের সুবিধা ভোগ ও নিয়ন্ত্রন চলতে দিবে না।

রুডলফ রকারের অ্যানার্কো-সিন্ডিক্যালিজম বইয়ের ভূমিকায় – নিকুলাস ওয়াল্টার

রকের লিখিত বই গুলোর মধ্যে এনার্কো-সিন্ডিক্যালিজম বইটি পাঠক মহলে সব চেয়ে বেশী সমাদৃত হয়েছে। এই বইটি যে পটভূমিতে রচিত হয়েছিলো তা হলো স্পেনের গৃহ যুদ্ব, যা ১৯৩৬ সালে ছড়িয়ে পড়ে এবং এনার্কো-সিন্ডিক্যালিজমের উন্মেষ ঘটায় এবং রাজনৈতিক মঞ্চে প্রথম বারের মত প্রথম বিশ্বযুদ্ব ও রাশিয়ার বিপ্লবের পর এটাই ছিলো মানুষের সামনে এক মাত্র আলোক বর্তিকা। ১৯৩৬ সালে ফ্রেডারিক ওয়ারবার্গ সেই সময়ে প্রকাশনার ব্যবসায়ে মার্টিন সিকার কে নিয়ে নয়া কোম্পানী গঠন করেন যার নামকরন করা হয় সিকার এন্ড ওয়ারবার্গ, এটা ছিলো তখন লন্ডনের একটি উল্লেখ যোগ্য প্রকাশনা প্রতিস্টান ।

১লা মে, ২০১৮ এর ডাকঃ- ‘শাসনকর্তৃত্ব লাভ করা নয়, আমাদের সংগ্রাম শাসন কর্তৃত্ববাদের উচ্ছেদ’ !

ফরাসি সিন্ডিক্যাট বা মজুর ইউনিয়ন থেকে সিন্ডিক্যালিজম কথাটির উৎপত্তি হয়েছে। নিরাজবাদের নয়া ভিত্তি হলো শ্রমিক ইউনিয়ন এবং কর্ম পন্থা হলো শ্রমিক সংগ্রাম। এই ইউনিয়ন কেবল লড়াইয়ের হাতিয়ার নয়, ইউনিয়ন হবে ভবিষ্যৎ সমাজের কাঠামো। ‘মিউচুয়াল এইডে’র উপর ভিত্তিকরে ইউনিউন গুলি পারস্পার চুক্তি করবে, মাঠে, খনিতে, ক্ষেতে, খামারে তাঁরা উৎপাদনের কাজ পরিচালনা করবেন, ধনতান্ত্রিক রাস্ট্রকে সরিয়ে আনবে শ্রমতান্ত্রিক সমাজ। ‘যারা পরিশ্রম করবে না, সমাজে যাদের কোন কাজ নেই, সমাজে তাঁদের কোন জায়গা নেই, শ্রমতান্ত্রিক সমাজে তাঁদের জায়গা হবে না।

বাংলাদেশঃ ১৫ মাস ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ চুক্তিতে চলছে চা-বাগান

আন্দোলনকারী শ্রমিক নেতারা জানান, ২০১৫ সালে চা-শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে সর্বশেষ চুক্তি করে মালিক পক্ষ। এতে ১৬ টাকা দৈনিক মজুরি বাড়িয়ে ৮৫ টাকা নির্ধারিত হয়। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে এ চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। এরপর কেটে গেছে আরও ১৫ মাস ২৫ দিন। তবে এখনও চা-শ্রমিকদের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেনি মালিকপক্ষ। এতে করে বেতন ভাতা বাড়ানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দরিদ্র চা-শ্রমিকরা।

Workers protests and strike in tea garden in Kulaura, Bangladesh

The protesters said that wages were increased every two years during the new agreement between Bangladesh Tea Workers Union and Bangladesh Tea Association of Tea-garden Owners Association. However, due to the expiry of the wages agreement of the tea workers in January of 2017, the tea workers are still working on the daily wage of 85 taka because no new agreement has been signed. Because of which many of the family members of the labor family are suffering due to misery. He said that they have submitted a memorandum to the senior authority for immediate implementation of their 20-point demand including wage hike.

Tea workers protest for renewal of contract and demand for payment of arrears

Tea workers in Sylhet have become angry after not being renewed in the one and half year. They have been involved in the movement to increase wages, renewal of the contract and demand for payment of arrears. Workers abstained in 22 tea gardens of Sylhet Valley yesterday morning in the call of Bangladesh Tea Workers Union. At this time, each garden was organized in different ways. The demand has been given from the rally to Tk 230 for wages. Workers have threatened indefinitely in the tea garden of the country if they do not accept the demand tomorrow.

No protective clothing for tea workers

A tea worker spraying pesticides without wearing any protective gear

According to Bangladesh Labour Law 2006 (amended), garden authorities need to ensure that workers use safety glasses, hand gloves, masks and appropriate clothing for personal safety. But the labourers complained that the authorities are not bothered about the law, and the situation is the same in all the gardens across the region.

The tea workers in BANGLADESH,Sylhet region are at high risk of tuberculosis (TB)

Countrywide, 221 people in every lakh suffering from tuberculosis but it is over 300 in Sylhet tea gardens, he said, adding that the number of TB affected tea garden workers is increasing because they cannot meet the basic requirements of life.

Sylhet tea-garden workers strike for higher wages

Workers of 22 tea gardens in Sylhet district today went on a work abstention dem

Workers of twenty two tea gardens in Sylhet district today went on a work abstention demanding 16 months’ unpaid wages and a wage increase.